ব্রেইন, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - জে.ডি. প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার)

ব্রেইন, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ

ব্রেইন, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ



আমাদের দেশে প্রচলিত একটি ধারণা আছে যে স্ট্রোক হৃৎপিণ্ডের একটি রোগ। বাস্তবে এটি মোটেই সত্য নয়। স্ট্রোক মস্তিষ্কের রোগ। মস্তিষ্কের রক্তবাহী নালির দুর্ঘটনাকেই স্ট্রোক বলা যায়। এই দুর্ঘটনায় রক্তনালি বন্ধও হতে পারে, আবার ফেটেও যেতে পারে। এ কারণে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। স্ট্রোক সম্পূর্ণই মস্তিষ্কের রক্তনালির জটিলতাজনিত রোগ।

স্ট্রোকে আক্রান্তের হার দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে সচেতনতার অভাবেই এই রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। আমাদের দেশে এখন ১৫ থেকে ২০ লাখ স্ট্রোকের রোগী রয়েছে। প্রতি হাজারে গড়ে ৩ থেকে ৫ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছে। সাধারণত পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের মধ্যে স্ট্রোকে আক্রান্তের হার বেশি লক্ষ করা গেলেও যে কোনো বয়সেই তা হতে পারে। ৫০ বছর বয়সের পর প্রতি ১০ বছরে স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্ব্বিগুণ হয়। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যাই বেশি। নারীদের মধ্যে স্ট্রোকে আক্রান্তের হার কিছুটা কম।

যেসব কারণ স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে—

 

অনিয়ন্ত্রিত উচ্চরক্তচাপ স্ট্রোকের সবচেয়ে বড়ো কারণ। রক্তচাপের রোগী যারা নিয়মিত ওষুধ ব্যবহার করে না বা কয়েক দিন খেয়ে প্রেশার কমে গেলে ওষুধ বন্ধ করে দেয় বা মনে করে উচ্চরক্তচাপে তার শারীরিক কোনো সমস্যা হচ্ছে না, তাই রক্তচাপের ওষুধ সেবন করে না।

ধূমপান, তামাকপাতা, গুল, জর্দা, মাত্রাতিরিক্ত মাদক সেবন।

অতিরিক্ত টেনশন, হূদেরাগ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, রক্তে বেশি মাত্রায় চর্বি বা অতিমাত্রায় কোলেস্টেরলের উপস্থিতি।

অনিয়ন্ত্রিত অলস জীবন যাপন করা, বেশি বেশি চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়া, স্থূলতা বা অতিরিক্ত মোটা হওয়া, অতিরিক্ত মাত্রায় কোমল পানীয় গ্রহণ এবং অধিক পরিমাণে লবণ খাওয়া।

কিছু কিছু ওষুধ যা রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় যেমন অ্যাসপিরিন, ক্লপিডগ্রেল প্রভৃতি ব্যবহারে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

ঘুমের সময় নাক ডাকা, ঘুমের সময় শ্বাসকষ্টজনিত উপসর্গ।

যে কোনো ধরনের প্রদাহ অথবা ইনফেকশন এবং জন্মগতভাবে ব্রেনে কিংবা মস্তিষ্কে সরু রক্তনালি থাকা।

অনেক সময় বংশানুক্রমে বা পূর্বের স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও দূরবর্তী রক্তনালি বন্ধ হওয়ার কারণেও স্ট্রোক হতে পারে।

যারা আগে থেকে বিভিন্ন রকমের হূদেরাগে ভোগে যেমন: ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ, হার্টের ভাল্বে সমস্যা, অনিয়মিত হূত্স্পন্দন, ইতিপূর্বে মিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়া ইত্যাদি।

 

স্ট্রোকের লক্ষণসমূহ :

শরীরের কোথাও বা একাংশ অবশ ভাব লাগা কিংবা দুর্বল বোধ করা বা প্যারালাইসিস। পা, হাত, মুখ অথবা শরীরের ডান বা বাম অংশ অবশ হয়ে যাওয়া, পা দুটিতে দুর্বল বোধ করা।

চলাফেরা করতে না পারা, চলাফেরায় ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রমে অসামঞ্জস্য দেখা দেওয়া।

কথা বলতে সমস্যা হওয়া, বিভ্রান্তিকর অবস্থায় পতিত হওয়া, কথা জড়িয়ে আসা, অস্পষ্ট হওয়া এবং একেবারে কথা বলতে বা বুঝতে না পারা।

এক চোখ বা দুই চোখেই ক্ষণস্থায়ী ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টি ঘোলা লাগা বা একেবারেই না দেখা।

হঠাত্ তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঝিমঝিম করা, মাথা ঘোরা, হঠাত্ করে কিছুক্ষণের জন্য হতবিহবল হয়ে পড়া, বমি বমি বোধ অথবা বমি করা।

স্ট্রোকের মারাত্মক উপসর্গ হচ্ছে অজ্ঞান হওয়া, খিঁচুনি, তিব্র মাথাব্যথা ও বমি।

 




জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক -এ
ব্রেইন, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ তে ডাক্তার আছেন -



ডাঃ শাহাদাৎ হাসান

ব্রেইন_স্টোক_প্যারালাইসিস_ও_স্নায়ুরোগ_বিশেষজ্ঞ_
ডাঃ শাহাদাৎ হাসান
এম.বি.বি.এস(ঢাকা),
বিসিএস(স্বাস্থ্য)
এম ডি (নিউরোমেডিসিন )
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স ও হাসপাতাল, ঢাকা।

চিকিৎসা_সমূহঃ
----------------------
০১। মাথা ও ঘাড় ব্যথা,
০২। হাঁটু ও গোড়ালির ব্যথা,
০৩। ব্যাকপেইন বা দাড়া ব্যথা,
০৪। কোমর ব্যাথা ও কোমড়ে শক্তি না পাওয়া,
০৫। আঘাত জনিত ব্যথা,
০৬। স্পাইনাল কর্ড বা জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথা,
০৭। হাত – পা কাপা,
০৮। শরিল জ্বালাপোড়া করা,
০৯। স্নায়ুরোগ,ব্রেইন স্ট্রোক,
১০। স্ট্রোক-জনিত প্যারালাইসিস,
১১। মুখ বেঁকে যাওয়া বা ফেসিয়াল পালসি,
১২। স্মৃতিশক্তি হারানো ও মৃগীরোগ,
১৩। প্রায় সময় অজ্ঞান হয়ে যাওয়া,
১৪। নার্ভ ও স্নায়ূবিক দুর্বলতা।
১৫। খাবারের রুচি কমে যাওয়া এবং দূর্বলতা।
১৬। মেডিসিন সংক্রান্ত যেকোন সমস্যা।
এই সকল নিউরো চিকিৎসার জন্য আছেন--
---------------------------------------------

-----------
চেম্বার:
জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার
আওয়ামী লীগ অফিস সংলগ্ন ,সদর রোড নরসিংদী। ( নরসিংদী পৌরসভা থেকে 100 গজ উত্তর পাশে )
-------------
রোগী দেখার সময়ঃ
প্রতি বৃহসপ্রতিবার বিকাল 2 টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত।
প্রতি শুক্রবার সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত।
-----------------
সিরিয়ালের জন্যঃ-
01324-419770
01780-401026
01711-698756
WhatsApp 01711698756
Facebook Messenger
web: www.jdpathology.com



সরাসরি ফোন করে সিরিয়াল নিশ্চিত করতে -

০১৭৮০৪০১০২৬


অথবা, অনলাইনে সিরিয়াল দিন -

জে.ডি. প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার)
স্বর্গীয় সুরেশ চন্দ্র সাহা
জে.ডি. প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক -এর প্রতিষ্ঠাতা
জে.ডি. প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার)
শিবু চন্দ্র সাহা
ব্যবব্যবস্থাপনা পরিচালক
জে.ডি. প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার)
শৈব সাহা শ্রী কৃষ্ণ
উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক
জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার

যাত্রার প্রারম্ভকাল থেকেই সঠিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে।

শনিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
রবিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
সোমবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
বুধবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
বৃহস্পতিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
শুক্রবার :- সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা