| শনি - বৃহস্পতি :- সকাল ৮ টা - রাত ১০ টা |
| +৮৮০ ১৭৮০ ৪০১০২৬ |
| +৮৮০ ১৩২৪ ৪১৯৭৭০ |
| +৮৮০ ১৭১১ ৬৯৮৭৫৬ |
জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার যাত্রার প্রারম্ভকাল থেকেই সঠিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে। দেশের সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতাল-এর স্বনামধন্য ডাক্তারগণ নিয়মিত জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার-এ চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার-এ রয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন মেডিকেল ল্যাবরেটরি এবং রোগীদের সঠিক রোগ নির্ণয় করার লক্ষ্যে দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট।
জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার একটি নির্ভরযোগ্য ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি, যা সঠিক প্যাথলজি পরীক্ষা ও সময়মতো রিপোর্ট প্রদান করে, নির্ভুল ও পেশাদার সেবার মাধ্যমে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার একটি বিশ্বাসযোগ্য মেডিক্যাল ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠান, যা বিভিন্ন ধরণের প্যাথলজি পরীক্ষায় বিশেষজ্ঞ। নির্ভুলতা ও সময়মতো ফলাফল প্রদানে নিবেদিত এই কেন্দ্র রোগী এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের নির্ভরযোগ্য ল্যাবরেটরি সেবা, উন্নত পরীক্ষণ প্রযুক্তি এবং রোগী-বান্ধব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
যাত্রার প্রারম্ভকাল থেকেই সঠিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে।
| শনিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
| রবিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
| সোমবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
| মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
| বুধবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
| বৃহস্পতিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
| শুক্রবার :- সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা |
শৈব সাহা শ্রী কৃষ্ণ একজন দূরদর্শী স্বাস্থ্যসেবা নেতা এবং জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টারের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি), যা নরসিংদীর অন্যতম বিশ্বস্ত এবং আধুনিক ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠান। তাঁর অনুপ্রেরণামূলক নেতৃত্বে, কেন্দ্রটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধন করেছে এবং ৮০-স্লাইস সিটি স্ক্যান, ডিজিটাল প্যাথলজি, এন্ডোস্কোপি, ও কলোনোস্কোপি মত বিশ্বমানের ডায়াগনস্টিক সেবা প্রদান করছে।
সঠিকতা, সাশ্রয়িতা এবং সহানুভূতিশীল সেবায় তার নিবেদন নরসিংদীর স্বাস্থ্যখাতে একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। তিনি নিশ্চিত করেন যে প্রতিটি রোগী সময়মতো, নির্ভরযোগ্য এবং আধুনিক ডায়াগনস্টিক সহায়তা পায়, যা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষ চিকিৎসা টিমের সমর্থনে পরিচালিত হয়।
উত্তমতার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ শ্রী শাইবা সাহা শ্রী কৃষ্ণ জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টারকে একটি জাতীয়ভাবে স্বীকৃত ডায়াগনস্টিক ব্র্যান্ডে রূপান্তর করার স্বপ্ন দেখেন—যেখানে নবীনতা ও মানবতা একত্রিত হয় এবং সকলের জন্য মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য হয়।
উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি),
জে ডি প্যাথলজি ও সিটি স্ক্যান সেন্টার, নরসিংদী।
জন্ম তারিখ: ২১ জুন ২০০৬
জাতীয়তা: বাংলাদেশী
রক্তের গ্রুপ: AB+
মোবাইল: +৮৮০ ১৭১১ ৬৯৮৭৫৬
ইমেইল: shaibasahasreekrishna@gmail.com
আমাদের সিটি স্ক্যানগুলো সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শরীরের ক্রস-সেকশনাল ছবি তৈরি করে, যা চিকিৎসকদের দ্রুত এবং কার্যকরভাবে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পরিস্থিতি সনাক্ত ও মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে।
আমরা রোগীদের আরাম ও নিরাপত্তার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে আমাদের অভিজ্ঞ রেডিওলজি বিশেষজ্ঞরা কঠোর মান ও পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মেনে স্ক্যান পরিচালনা করেন।
জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টারে আমরা নির্ভুলতা, সাশ্রয়িতা এবং সময়মতো রিপোর্টিংয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকি—বিশ্বাসযোগ্য ডায়াগনস্টিক সেবা প্রদান করে চিকিৎসক এবং রোগীদের সর্বোত্তম সহযোগিতা প্রদান করি।
সমস্ত ল্যাবরেটরি পরীক্ষা দক্ষ মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের দ্বারা পরিচালিত হয় এবং যোগ্য চিকিৎসকদের দ্বারা উচ্চমানের রিপোর্ট প্রস্তুত করে প্রদান করা হয়।
জে.ডি. প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার) একটি আধুনিক, প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি এবং দক্ষ মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের দ্বারা সজ্জিত, যা রোগীদের সঠিক রোগনির্ণয়ের নিশ্চয়তা দিতে নিবেদিত।
ক্রমবদ্ধ রোগী নিবন্ধন ব্যবস্থা।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের দ্বারা প্রদত্ত চিকিৎসা সেবা।
আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ সর্বাধুনিক ডিজিটাল ল্যাবরেটরি সুবিধাসমূহ।
সমস্ত ল্যাবরেটরি পরীক্ষা দক্ষ মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
যোগ্য চিকিৎসকদের দ্বারা উচ্চমানের রিপোর্ট প্রদান করা হয়।
ল্যাবরেটরিতে এয়ার কন্ডিশন্ড সুবিধা এবং ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ।
স্বর্গীয় প্রতিষ্ঠাতা সুরেশ চন্দ্র সাহা ১৯৫১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় বড়িকান্দি ইউনিয়নের সাহাপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৯ সালে বর্তমানে স্টেট মেডিকেল ফ্যাকালিটির অধীনে ইন্সিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (IHT), মহাখালী, ঢাকা থেকে মেডিকেল টেকনোলজি ল্যাবরেটরি হিসাবে ডিগ্রী অর্জন করেন।
তিনি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতের আগরতলায় জি বি হাসপাতালে চাকুরিপ্রাপ্ত হন এবং বাংলাদেশ থেকে আগত ভারতের সোনামোড়া স্থানে একটি শরনার্থী ক্যাম্পের দ্বায়িত্বে নিয়োজিত হন এবং নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালের পর থেকে নরসিংদীতে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং সেই সাথে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পেশায় নিয়োজিত হন। এরপর তিনি এককভাবে ১৯৯৭ সালের ১লা জুলাই নরসিংদীর সদর রোড আওয়ামী লীগ অপিস সংলগ্ন জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরী ক্লিনিক নামক প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। ২৪ শে মে ২০০৭ সালে (৯ই জৈষ্ঠ্য ১৪১৪ বাং) রোজ বৃহস্পতিবার তিনি পরলোক গমন করেন। পরলোক গমনের আগে তিনি ২ ছেলে এবং ১ মেয়ে রেখে যান। বর্তমানে ওনার বড় ছেলে শিবু চন্দ্র সাহা প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক হিসাবে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বেশ কিছু খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে দেশটি। স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেও দেশটি বিশ্বের প্রশংসা কুড়িয়েছে। দেশেই এখন অভিনব পদ্ধতির উন্নত সেবা পাওয়া যাচ্ছে, যা রোগীদের বিদেশমুখীতা বহুলাংশে কমিয়েছে। বাংলাদেশের রোগীদের এসব ঝামেলার কথা বিবেচনা করে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উন্নত মানের সেবা দিচ্ছে জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার। বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে রোগীদের উন্নত মানের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করে জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার। জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার এখন অভিনব পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা এবং চিকিৎসা প্রদান করছে।
বিস্তারিত দেখুনজে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার নরসিংদীর একটি ঐতিহ্যবাহী চেম্বার। রোগীদের সেবা করার জন্য সার্বক্ষণিক অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাওয়া যায়। এখানে অতি আধুনিক মেশিনে রোগ নির্ণয় করা হয়।

J D PATHOLOGY & CT SCAN CENTER is a reliable institution and doctor’s chamber. The diagnostic tests are conducted with very high quality. In short, it is a fully digital diagnostic center.

J D PATHOLOGY & CT SCAN CENTER er sheva sotti e onk valo... Tnq

আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্যসেবার একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।

জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার নরসিংদী জেলার মধ্যে সুনামধন্য একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার । শুভকামনা রইল

I'm Shibo Chandra Saha managing director of J.D. Pathology & CT Scan Center. I invite you to come to my diagnostic centre for proper and accurate treatment. I will try to ensure you 100% good treatment.

নরসিংদী বাসিকে আমি একটা কথাই বলবো উন্নত মানের চিকিৎসা সেবার জন্য আপনারা,জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টারে আসুন। এখানে অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সকল প্রকার (Test) পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।

J D PATHOLOGY is a best Diagnostic Center in Narshingdi.

নরসিংদীতে উন্নত মানের চিকিৎসা সেবার জন্য জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার অনেক ভালো। এখানে অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তি এবং দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এর মাধ্যমে সকল প্রকার (Test) পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।

Recently visited J D Pathology & CT Scan Centre, Narsingdi. Very clean environment, well-behaved staff, and quick report delivery. Their 80-slice CT scan facility is really advanced. Highly recommended for reliable diagnostic services.

Good service, affordable price, and accurate reports. Doctors and staff are very cooperative. One of the best diagnostic centers in Narsingdi.

I had a very good experience here. They treat patients with care and respect. Reports were accurate and delivered on time. Thank you for your service.

J D Pathology & CT Scan Centre is one of the best diagnostic centers in Narsingdi. They offer advanced services like 80-slice CT scan, digital pathology, endoscopy, and colonoscopy. The doctors and staff are highly skilled and very cooperative. The environment is clean, and their service is fast and reliable. Most importantly, they provide quality services at an affordable cost. I am very satisfied with their service.
জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার যাত্রার প্রারম্ভকাল থেকেই সঠিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে। দেশের সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতাল-এর স্বনামধন্য ডাক্তারগণ নিয়মিত জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার-এ চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার-এ রয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন মেডিকেল ল্যাবরেটরি এবং রোগীদের সঠিক রোগ নির্ণয় করার লক্ষ্যে দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট।
রোগী সন্তুষ্টি
বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
দক্ষ মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট এবং রেডিওলজিস্ট
% উন্নত প্রযুক্তি
দেশের সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতাল-এর স্বনামধন্য ডাক্তারগণ নিয়মিত জে ডি প্যাথলজি এন্ড সিটি স্ক্যান সেন্টার-এ চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন।
হৃদপিণ্ড অকার্যকর বা হার্ট ফেইলিওর বেশ জটিল একটি সমস্যা। হার্ট যখন তার কাজ ঠিকঠাকমতো করতে পারে না,তখন হার্ট ফেইলিওর হয়। হার্টে ফেল করলে হৃৎপিন্ড সংকোচনের মাধ্যমে রক্ত বের করতে পারে না ফলে ফুসফুস, পা এবং পেটে পানি জমে যায়। হার্ট ফেইলুর হঠাৎ করে হতে পারে আবার ধীরে ধীরে হতে পারে।
হৃৎপিন্ড প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার সংকোচন-প্রসারনের মাধ্যমে দেহের প্রতিটি কোষে বিশুদ্ধ রক্ত ও খাদ্যকণা পৌঁছে দেয়। একই সঙ্গে দেহের দুষিত রক্তকে বিশুদ্ধ করণের জণ্য ফুফুসে সরবরাহ করে। দেহের প্রতিটি আঙ্গের বেঁচে থাকার জন্য হৃৎপিন্ডকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হয়। নিজের প্রয়োজনীয় রসদ হৃৎপিন্ড নিজস্ব তিনটি করোনারি আর্টারির মাধ্যমে নিয়ে থাকে। হৃৎপিন্ড তার কাজ ঠিকমতো করতে না পারাকেই হার্ট ফেইলুর বলা হয় যা সহজভাবে হার্ট ফেল নামে পরিচিত।
হার্ট ফেইলুর বা হৃৎপিন্ডের ব্যথ্যতা বা কর্মহীনতার জন্য সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া জরুরী। অনেকে ভুল করে হার্ট অ্যটাক এবং হার্টফেইলকে একই রোগ ভেবে থাকনে। হার্ট অ্যাটাক এবং হার্ট ফেইলর আলাদা সমস্যা, যদিও একটির কারণে অন্যটি হতে পারে। আবার দুটি এক সঙ্গেও হতে পারে।
হার্ট ফেলের কারণ
হার্ট অ্যাটাক (মায়োকার্ডিয়াল ইনফারকশন, আনস্টেবল এনজাইনা), অ্যানিমিয়া (রক্তমূন্যতা), হার্ট ভাইরাস সংক্রামণ, হাইরয়েড গ্রন্থির রোগ, পেরিকার্ডিয়ামের রোগ সিটেমিক রোগ ইত্যাদি।
যেসব কারণে হার্টের সমস্যা থাকাকালে হার্ট ফেইলুর চরমপর্যায়ে যেতে পারে
১. মায়োকার্ডিয়াল ইসকোমিয়া/ইনফার্কশন
২. সংক্রমন
৩. হৃৎপিন্ডের ছন্দহীনত যেমন atrial Flabrillation
৪. ডাবেটিস
৫. হার্ট ফেলের অপর্যাপ্ত চিকিৎসা
৬. শরীরে পানি ধরে রাখার মতো অষুধ, যেমন -ব্যাধানাশক, স্টেরয়েড।
৭. গর্ভাবস্থা, রক্তশূন্যতা ও থাইরয়েডের রোগ
৮. শরীরে অতিরিক্ত পানি প্রয়োগ
হার্ট ফেলের উপসর্গ
১. শ্বাসকষ্ট
২. শরীরে অতিরিক্ত পানি বা ইডেমা
৩. কাশি
৪. দুর্বল লাগা
৫. রাতে অতিরিক্ত প্রস্রাব হওয়া
৬. ক্ষুধা মন্দা, বমি ভাব
৭. বুক ব্যাথা
৮. জটিলতা নিয়ে উপস্থিত, যেমন-কিডনি বিকল ইলেকট্রলাইটের তারতম্য, লিভারের সমস্যা, স্ট্রোক, হৃৎপিন্ডের ছন্দহীনতা।
হার্টফেল প্রতিরোধের জন্য যা করতে হবে
১. ধুমপান/তামাক/জর্দা/নস্যি বর্জন করতে হবে
২. কাঁচা/ভাজা সকল প্রকার আলগা যাথাযথ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
৩. উচ্চ রক্তচাপ , ডায়াবেটিস থাকলে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
৪. কায়িক শ্রম
৫. উত্তেজন পরিহার
৬. যে কোন সংক্রমণের চিকিৎসা করাতে হবে জরুরীভাবে
৭. রক্তশূন্যতা পূরণ করতে হবে
৮. ওজন আদর্শ মাত্রায় রাখতে হবে
৯. সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে
১০. পরিমিত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে
১১. আদর্শ জীবনযাপন করতে হবে
বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী করোনার যে ভাইরাসটি বিস্তার লাভ করেছে তার নাম কোভিড-১৯। এই ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ ব্যক্তির দেহে হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
কোনো সুস্থ ব্যক্তি যখন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির দেওয়া হাঁচি বা কাশির সুক্ষ্মকণা শ্বাসপ্রশ্বাস বা হাতের স্পর্শের মাধ্যমে মুখে নেন, তখন তার দেহেও করোনা সংক্রমণ ছড়াতে পারে।