CALL US
phone Call
নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ও হেড-নেক সার্জন - জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার)

নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ও হেড-নেক সার্জন

নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ও হেড-নেক সার্জন



এই সময়ে নাক, কান ও গলার রোগ

শীতের সময় রোগ বাড়ে না তবে কিছু রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। এর মধ্যে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি নাক, কান ও গলার রোগগুলো অন্যতম। বলা যায়, এসব রোগে ছেলে-বুড়ো সবাই আক্রান্ত হয়।

শীতকালে বেশি সমস্যা হতে এমন কিছু রোগ থেকে ভালো থাকতে কিছু পরামর্শ দেয়া হলো :

টনসিলাইটিস বা গলা ব্যথা
শীতকালে গলা ব্যথা হয়ে টনসিলে তীব্র প্রদাহ হতে পারে।

তীব্র প্রদাহের জন্য গলা ব্যথা, জ্বর ও ঢোক গিলতে অসুবিধা হয়। ব্যাকটেরিয়াজনিত টনসিলের প্রদাহে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবন করতে হয়। আর ভাইরাসজনিত গলা ব্যথা হলে হলে লবণ পানি দিয়ে গড়গড়া করলে এবং প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ খেলে ভালো হয়ে যায়। অনেক সময় ঠাণ্ডা লেগে কণ্ঠনালিতে ইনফেকশন হতে পারে বা গলার স্বর পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ সেবন ও মেন্থলের ভাপ নিলে উপকার মেলে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা লাগলে শিশুদের শ্বাসনালিতে ইনফেকশন হতে পারে, এমনকি নিউমোনিয়াও হতে পারে। তাই শিশু, বয়স্ক ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম এমন মানুষদের অতিরিক্ত ঠাণ্ডা লাগলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

 

এডিনয়েড
এডিনয়েড রোগে শিশুরা বেশি ভোগে থাকে। শিশুদের নাকের পেছনে থাকা এক ধরনের টনসিলকেই এডিনয়েড বলে। এই এডিনয়েড বড় হয়ে গেলে নাক বন্ধ হয়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়। শিশুরা তখন নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে পারে না। সব সময় মুখ খোলা রাখে, ঘুমের সময় হা করে থাকে বা মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়, নাক ডাকে। কিছু শিশুর লালা ঝড়ে, কানে কম শোনে, তাদের বুদ্ধিমত্তা অনেকাংশে কমে যায়। শুধু শারীরিক সমস্যাই নয়, মানসিক বিকাশও ব্যাহত হতে পারে এই এডিনয়েড সমস্যার কারণে।

কোনো শিশুর এ ধরনের সমস্যা মনে হলে দ্রুত কোনো নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ওষুধ দিয়ে উপকার না পেলে অনেক সময় অপারেশন করে এডিনয়েড ফেলে দিতে হয়। কানের সমস্যা থাকলে সেটাও একই সময় অপারেশন করা সম্ভব। অনেক মা-বাবা অপারেশনের কথা শুনেই ভয় পান। কিন্তু বাংলাদেশে এখন এডিনয়েডের শতভাগ সফল অপারেশন হচ্ছে এবং শিশুরাও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাচ্ছে।

শিশুদের মধ্যকর্ণে প্রদাহ
শীতকালে শিশুদের মধ্যকর্ণে প্রদাহ বেশি দেখা দেয়। সাধারণত ঊর্ধ্ব শ্বাসনালির প্রদাহ, টনসিলের ইনফেকশন, এডিনয়েড নামক গুচ্ছ লসিকা গ্রন্থির বৃদ্ধি ইত্যাদি থেকে এই প্রদাহ দেখা দেয়। শীতকালে এই উপসর্গগুলো বেশি দেখা দেওয়ার ফলে হঠাৎ করেই মধ্যকর্ণে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। এই রোগের কারণে কানে অনেক ব্যথা হয়, কান বন্ধ হয়ে যায়। সঠিক সময়ে এই রোগের চিকিৎসা না করলে কানের পর্দা ছিদ্র হয়ে যেতে পারে, ফলে কানপাকা রোগ হতে পারে। বিভিন্ন ওষুধের মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা করা হয়।

অ্যালার্জিজনিত সমস্যা
কোনো রকমের অ্যালার্জেন, যেমন : ধুলাবালি, গাড়ির ধোঁয়া নাকে ঢুকে যায়, তাহলে নাকে অ্যালার্জিজনিত প্রদাহ হতে পারে। এতে হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ ইত্যাদি উপসর্গ হতে পারে। বিভিন্ন ওষুধের মাধ্যমে এবং যে কারণে নাকে সর্দি ও অ্যালার্জি হয় তা থেকে দূরে থাকলে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

সাধারণত দীর্ঘদিন নাকে অ্যালার্জি থাকলে পলিপ হতে পারে। পলিপ দেখতে অনেকটা আঙুর ফলের মতো। নাকের পলিপে নাক বন্ধ হয়ে যায় এবং সঙ্গে সাইনাসের ইনফেকশন হয়ে মাথা ব্যথা হতে পারে। এই সমস্যার চিকিৎসা হলো অপারেশন। প্রচলিত নিয়মে অপারেশনে আবার পলিপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু আধুনিক এন্ডোস্কপিক সাইনাস সার্জারির মাধ্যমে সফলভাবে অপারেশন করা যায়। বর্তমানে আমাদের দেশে বড় বড় হাসপাতালে এন্ডোস্কপিক সাইনাস সার্জারি নিয়মিত হচ্ছে।

সাইনোসাইটিস
শীতকালে নাকের দুই পাশের সাইনাসে ইনফেকশন দেখা দেয়, যাকে সাইনোসাইটিস বলা হয়। এতে নাকের দুই পাশে ব্যথা ও মাথা ব্যথা হতে পারে। সাইনাসের এক্স-রে করলে রোগ নির্ণয় করা যায়। তীব্র অবস্থায় ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা যায়। দীর্ঘমেয়াদি সাইনাস প্রদাহে ওয়াশ এবং শেষ পর্যায়ে অ্যান্ডোস্কপিক সাইনাস সার্জারি করা লাগতে পারে যাকে বলে ‘সাইনাস সার্জারি’।

ফ্যারেনজাইটিস
শীতে গলা ব্যথা, জ্বর বা খুসখুসে কাশি হয় অনেকের। এসব ফ্যারেনজাইটিসের লক্ষণ। অনেক সময় দেখা যায়, শীতের সময় অনেকেই ঘুম থেকে ওঠে আর কথা বলতে পারেন না। গলা ব্যথাও থাকে। ভাইরাসজনিত কারণে এই সমস্যা হয়।

ফ্যারেনজাইটিস থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রথম পদক্ষেপ হলো ঠাণ্ডা পরিহার করা। এ ছাড়া আক্রান্ত হলে হিট স্টিম বা মেন্থল দিয়ে গরম ভাপ নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া নাকের ড্রপস, অ্যান্টিহিস্টামিন ব্যবহার করলে উপকার মেলে। কথা বলা খানিকটা সময়ের জন্য পরিহার করলেও এই রোগের প্রকোপ কমে যায়।

কিছু করণীয়
►     শীতকালে যাতে ঠাণ্ডা না লাগে সে জন্য গরম কাপড় পরতে হবে। বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যত্ন নিতে হবে।

►     ঠাণ্ডা লাগলে প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা নিন। এতে প্রথমেই রোগ ভালো হয়ে যায় এবং নানা জটিলতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

►     শীতকালে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীদের উচিত নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ ও ইনহেলার ব্যবহার করা। কেননা সর্দি, অ্যালার্জি ও হাঁপানির মধ্যে যোগসূত্র আছে।

►     অ্যালার্জি থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত গোসল করা ভালো। তবে ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধে সহনীয় গরম পানিতে গোসল করা উচিত।

►     শীতের সময় বাতাসে ধুলিকণার পরিমাণ বেশি থাকে বলে বাইরে কম বেরোনো ভালো। বাইরে বেরোলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।

►     এই সময় রোদের তাপ কম থাকে বলে সূর্যতাপ তেমন মেলে না। তবুও চেষ্টা করা উচিত নিয়মিত রোদ পোহানো। এতে শরীর ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ করে, যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।




জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক -এ
নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ও হেড-নেক সার্জন তে ডাক্তার আছেন -



ডাঃ তন্ময় কর

ডাঃ তন্ময় কর
এমবিবিএস(ডি ইউ),বিসিএস(স্বাস্থ),ডিএলও(বিএসএমইউ)
 নাক কান গলা বিভাগ
১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল,নরসিংদী_যে_সকল_চিকিৎসা_করেনঃ

--------------------
০১। নাকের এ্যালার্জি,নাক দিয়ে রক্তপড়া,সাইনাসের ইনফেকশন হলে।
০২। কানে তীব্র ব্যথা হলে।
০১। নাকের হাড় বাঁকা,নাকের পলিপ হলে।
০৪। টনসিলের সমস্যার কারণেও কানে ব্যথা হলে।
০৫। কান থেকে পরিষ্কার বা রক্ত মিশ্রিত পানি বের হলে।
০৬। কানে শোঁ শোঁ শব্দ বা মেশিন চলার মতো শব্দ হলে।
০৭। সাইনুসাইটিসের সমস্যা থাকলে।
০৮। মুখের ভেতরকার নানা রকম ঘা হলে, খাবার গিলতে সমস্যা হলে।
০৯। কানের পর্দা ফেটে গেলে,কানের পর্দা ছিদ্র হয়ে গেলে।
১০। দীর্ঘদিন থেকে সমানে নাক বন্ধ হলে।
১১। কানে প্রদাহের সৃষ্টি হলে।
১২। কানে কম শোনলে।
১৩। কান বন্ধ লাগা ভাব হলে।
১৪। অসময়ে গলা ভেঙে গেলে, এবং তা অনেক দিন ধরে না সারলে ,মাড়ির সমস্যা।
১৫। কানের চামড়ার একজিমার সংক্রমণ হলে।
১৬। কানের জমে থাকা খৈল হলে।
১৭। জিহবায় ক্ষত, আলসার, ফোস্কা, সাদা দাগ, পিণ্ড ও নডিউল দেখা দিলে।
১৮। জিহ্বা ফুলে যাওয়ার সমস্যা,জিহ্বার প্রদাহজনিত সমস্যা,জিহ্বার রঙ ও আকারে পরিবর্তন হলে।
১৯। কান থেকে পুঁজ আসলে ।
২০। কানের পর্দায় বড় ছিদ্র বা ইনফেকশন থাকলে টিমপ্যানোপ্লাস্টি করা।
২১। ইনফেকশন অথবা আঘাতের কারণে যদি কানের হাড়ে পচন বা ক্ষতের সৃষ্টি হয় তাহলে ওসিকুলোপ্লাস্টি করা।
২২। গলা ফোলে যাবার ফলে কণ্ঠস্বর কর্কশ হয়ে গেলে।
২৩। গলায় যেকোন সমস্যা দেখা দিলে।
-------------------------------------------
ডাঃ তন্ময় কর
এমবিবিএস(ডি ইউ),বিসিএস(স্বাস্থ),ডিএলও(বিএসএমইউ)
, নাক কান গলা বিভাগ
১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল,নরসিংদী
--------------------
রোগী দেখার স্থান:-
জে ডি প্যাথলজি সেন্টার
আওয়ামী লীগ অফিস সংলগ্ন ,সদর রোড নরসিংদী( নরসিংদী পৌরসভা থেকে 100 গজ উত্তর পাশে )
--------------------
রোগী দেখার সময়:-
প্রতি শনি ,রবি,মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার
দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত
---------------
সিরিয়ালের জন্য:-
01324-419770
01780-401026
01711-698756
Facebook messenger.
WhatsApp 01711698756
Imo 01711-698756
website: www.jdpathology.com
Email : jdpathologycenter@gmail.com



সরাসরি ফোন করে সিরিয়াল নিশ্চিত করতে -

০১৭৮০৪০১০২৬


অথবা, অনলাইনে সিরিয়াল দিন -

জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার)
স্বর্গীয় সুরেশ চন্দ্র সাহা
জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক -এর প্রতিষ্ঠাতা
জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার)
শিবু চন্দ্র সাহা
ব্যবব্যবস্থাপনা পরিচালক
জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার)

জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার) যাত্রার প্রারম্ভকাল থেকেই সঠিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে।

শনিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
রবিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
সোমবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
শুক্রবার :- সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা
ইমার্জেন্সি :- ২৪ ঘন্টা সেবা