একজন ডেন্টিস্ট সচরাচর দুই ধরণের এক্স-রে করতে বলেন। একটি হলো পেরিএপিকাল এক্স-রে (periapical x-ray)। আর অন্যটি হল ওপিজি ((OPG)। পেরিএপিকাল এক্স-রে গুলো আকারে ছোট এবং এটি সাধারণত দুই বা তিনটা দাঁতের প্রতিচ্ছবি ধারণ করতে পারে। আর ওপিজি গুলো বড় এক্স-রে যা মুখের সব গুলো দাঁতের প্রতিচ্ছবি ধারণ করতে পারে। একই সাথে দাঁতের আশেপাশে হাড়ের মধ্যে কোন টিউমার বা অন্য কোন সমস্যা আছে কিনা তাও দেখতে পাওয়া যায় এতে। এই হল দাঁতের এক্স-রের প্রাথমিক পরিচিতি।
আসলে এক্স-রে এর প্রয়োজনীয়তা বলে শেষ করার মত না। খালি চোখে যা দেখা যায় না তা দেখার জন্যই এক্স-রে এর প্রয়োজন হয়। আপনি ভালো ট্রিটমেন্ট চান। তাহলে আপনাকে অবশ্যই ডেন্টিস্টকে সাহায্য করতে হবে, তিনি যেন আপনার দাঁত ও মাড়ির ভেতর ও বাহিরের অবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা পান। তারই একটি প্রকৃয়া হল দাঁতের এক্স-রে।
এবার আসি রেডিয়েশন প্রসঙ্গে। এক্স-রে মানেই রেডিয়েশন। তবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানও রেডিয়েশনের কুপ্রভাব সম্পর্কে সচেতন। আবার এক্স-রে এর প্রয়োজনীয়তাকেও অস্বীকার করার উপায় নেই। তাই দিনের পর দিনের গবেষণা হচ্ছে কিভাবে এক্স-রে মেশিনগুলোকে আরো আধুনিক করা যায় যেন অল্প রেডিয়েশনেই উদ্দ্যেশ্য হাসিল করা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে একটা মানুষের শরীরে ৫০ গ্রে (রেডিয়েশনের মাপকাঠি) এর বেশি রেডিয়েশন প্রয়োগ করলে সমস্যা দেখা দিতে শুধু করে। যেমন তার হৃদপিন্ডের কোষগুলোতে রক্ত চলাচল ক্ষতিগ্রস্থ হয় কিংবা তার স্নায়ুগুলো সঠিকভাবে কাজ করে না। তাছাড়া শরীরের কোষগুলোতে পরিবর্তন ঘটে যা ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। কিন্তু একটি দাঁতের এক্স-রে তে এর ৮০ ভাগের এক ভাগ রেডিয়েশন হয়। তাও আবার পুরো মুখের এক্স-রে বা ওপিজি করলেই কেবল এই ৮০ ভাগের এক ভাগ রেডিয়েশন পাওয়া যায়। পেরিএপিকাল এক্স-রে তে আরো কম রেডিয়েশন হয়। সুতরাং এতে শারীরিক ক্ষতির চান্স নেই বললেই চলে।
তবে সাবধানতার কোন মার নেই। একজন গর্ভবতী মহিলার ক্ষেত্রে এই সামান্য রেডিয়েশনও ক্ষতি করতে পারে তার ভবিষ্যত সন্তানের। তাই ডেন্টিস্টকে অবশ্যই এই গুরুত্বপূর্ণ অথ্যটি জানাতে ভুলবেন না। এবং তাও যদি জরুরী কারনে এক্স-রে করাতেই হয় তাহলে লিড এপ্রোন (lead apron) দিয়ে গর্ভবতী নারীর গলা থেকে পেটের নিচের অংশ পর্যন্ত ঢেকে নেয়া জরুরী।
দাঁতের এক্স-রে অবহেলা করার মত কোন অবকাশ নেই। এই এক্স-রে আপনাকে মারাত্নক রেডিয়েশন এর সম্মুখীন করে না এবং একজন ডেন্টিস্ট কে আপনার দাঁত ও মাড়ি কতটুকু সুস্থ তা বুঝতে সাহায্য করে। তাই আপনার নিজের প্রয়োজনে ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ অনুযায়ী এক্স-রে করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিন।
জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার) যাত্রার প্রারম্ভকাল থেকেই সঠিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে।
শনিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
রবিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
সোমবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা |
শুক্রবার :- সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা |
ইমার্জেন্সি :- ২৪ ঘন্টা সেবা |