CALL US
phone Call
ডেন্টাল এক্সরে (OPG) - জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার)

ডেন্টাল এক্সরে (OPG)

ডেন্টাল এক্সরে (OPG)



ডেন্টাল এক্স-রে (OPG) কী ?

একজন ডেন্টিস্ট সচরাচর দুই ধরণের এক্স-রে করতে বলেন। একটি হলো পেরিএপিকাল এক্স-রে (periapical x-ray)। আর অন্যটি হল ওপিজি ((OPG)। পেরিএপিকাল এক্স-রে গুলো আকারে ছোট এবং এটি সাধারণত দুই বা তিনটা দাঁতের প্রতিচ্ছবি ধারণ করতে পারে। আর ওপিজি গুলো বড় এক্স-রে যা মুখের সব গুলো দাঁতের প্রতিচ্ছবি ধারণ করতে পারে। একই সাথে দাঁতের আশেপাশে হাড়ের মধ্যে কোন টিউমার বা অন্য কোন সমস্যা আছে কিনা তাও দেখতে পাওয়া যায় এতে। এই হল দাঁতের এক্স-রের প্রাথমিক পরিচিতি।

  • এবার মনে করুন, আপনার কোন একটি বা পাশাপাশি দুটি দাঁত শিরশির করছে কিংবা ব্যথা করছে কিন্তু আপনি আয়নায় দাঁতে কোন সমস্যা দেখতে পাচ্ছেন না। আপনি আসলেন আপনার ডেন্টিস্টের কাছে। তখন ডেন্টিস্ট আপনাকে একটি এক্স-রে করার পরামর্শ দিবেন। এই এক্স-রে তে দেখা যাবে আপনার দাঁতের ভেতরে কি সমস্যার কারনে দাঁত ব্যথা বা শিরশির করছে, যা দাঁতের বাইরে থেকে দেখে বোঝা যাচ্ছিল না।
  • আবার ধরুণ আপনার শিশু সন্তানের দাঁত তুলতে হবে। দাঁত হালকা নড়ে কিন্তু সাধারনভাবে টেনে তোলার উপযোগী নয়। তখন আপনাকে এক্স-রে করতে হবে। কেননা এই দাঁত শিশুর দুধ দাঁত এবং এর নিচ থেকেই আসছে তার স্থায়ী দাঁত। যদি কোন কারনে তার স্থায়ী দাঁত তৈরী না হয় তাহলে শিশুর দুধ দাঁত তুলে ফেললে সেই জায়গা সারাজীবন ফাঁকা থেকে যাবে। উপরন্তু পাশের দাঁত গুলো সেই ফাঁকা জায়গার দিকে সরে আসতে থাকবে। পুরো মুখের দাঁত গুলোই বিশ্রী হয়ে যাবে। সেটা ঠিক করতে আপনাকে হয়তো অনেক টাকা খরচ করতে হবে সাথে আফসোস বিনামূল্যে। অথচ মাত্র ১০০-২০০ টাকার একটি এক্স-রে করলেই আপনি এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে পারতেন।
  • দাঁত থেকে পুঁজ আসছে। কিংবা দাঁতের মাড়ির কোন জায়গায় অনেকটা ফুলে আছে। অথচ আপনি নিয়মিত ব্রাশ করেন। কি করতে হবে বুঝতে পারছেন না। ডেন্টিস্ট এর কাছে আসলে আপনাকে এক্স-রে করতে বলা হল। এই এক্স-রে তে বোঝা যাবে আপনার এই ফোলা কি আসলে কোন ফোঁড়া (cyst, abscess) নাকি কোন টিউমার অথবা অন্য কি কারনে ফুলে আছে জায়গাটা। আপনি এক্স-রে করার ঝামেলা এড়াতে মুখের ফোলাটাকে গুরুত্ব দিলেন না। পরবর্তীতে জটিল অপারেশনে আপনার চোয়ালের একাংশ কেটেও ফেলতে হতে পারে। অথচ সহজ সমাধান ছিল মাত্র একটি এক্স-রে।
  • আপনার বয়স ২৫ বছরের বেশি তাও আক্কেল দাঁতের কোন চিহ্নও নেই। এক্স-রে করলেই বোঝা যাবে কি অবস্থায় আছে আপনার আক্কেল দাঁতগুলো।
  • রুট ক্যানেল করতে হবে আপনার দাঁতে। এক্স-রে ছাড়া বোঝা যাবে না আপনার দাঁতের শিকড় মাড়ির কতটা ভেতরে ঢুকে আছে।
  • স্থায়ী দাঁত অল্প বয়সেই নড়তে শুরু করেছে। এক্স-রে করে দেখতে হবে কি কারনে নড়ছে।

আসলে এক্স-রে এর প্রয়োজনীয়তা বলে শেষ করার মত না। খালি চোখে যা দেখা যায় না তা দেখার জন্যই এক্স-রে এর প্রয়োজন হয়। আপনি ভালো ট্রিটমেন্ট চান। তাহলে আপনাকে অবশ্যই ডেন্টিস্টকে সাহায্য করতে হবে, তিনি যেন আপনার দাঁত ও মাড়ির ভেতর ও বাহিরের অবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা পান। তারই একটি প্রকৃয়া হল দাঁতের এক্স-রে।

এবার আসি রেডিয়েশন প্রসঙ্গে। এক্স-রে মানেই রেডিয়েশন। তবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানও রেডিয়েশনের কুপ্রভাব সম্পর্কে সচেতন। আবার এক্স-রে এর প্রয়োজনীয়তাকেও অস্বীকার করার উপায় নেই। তাই দিনের পর দিনের গবেষণা হচ্ছে কিভাবে এক্স-রে মেশিনগুলোকে আরো আধুনিক করা যায় যেন অল্প রেডিয়েশনেই উদ্দ্যেশ্য হাসিল করা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে একটা মানুষের শরীরে ৫০ গ্রে (রেডিয়েশনের মাপকাঠি) এর বেশি রেডিয়েশন প্রয়োগ করলে সমস্যা দেখা দিতে শুধু করে। যেমন তার হৃদপিন্ডের কোষগুলোতে রক্ত চলাচল ক্ষতিগ্রস্থ হয় কিংবা তার স্নায়ুগুলো সঠিকভাবে কাজ করে না। তাছাড়া শরীরের কোষগুলোতে পরিবর্তন ঘটে যা ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। কিন্তু একটি দাঁতের এক্স-রে তে এর ৮০ ভাগের এক ভাগ রেডিয়েশন হয়। তাও আবার পুরো মুখের এক্স-রে বা ওপিজি করলেই কেবল এই ৮০ ভাগের এক ভাগ রেডিয়েশন পাওয়া যায়। পেরিএপিকাল এক্স-রে তে আরো কম রেডিয়েশন হয়। সুতরাং এতে শারীরিক ক্ষতির চান্স নেই বললেই চলে।

তবে সাবধানতার কোন মার নেই। একজন গর্ভবতী মহিলার ক্ষেত্রে এই সামান্য রেডিয়েশনও ক্ষতি করতে পারে তার ভবিষ্যত সন্তানের। তাই ডেন্টিস্টকে অবশ্যই এই গুরুত্বপূর্ণ অথ্যটি জানাতে ভুলবেন না। এবং তাও যদি জরুরী কারনে এক্স-রে করাতেই হয় তাহলে লিড এপ্রোন (lead apron) দিয়ে গর্ভবতী নারীর গলা থেকে পেটের নিচের অংশ পর্যন্ত ঢেকে নেয়া জরুরী।

দাঁতের এক্স-রে অবহেলা করার মত কোন অবকাশ নেই। এই এক্স-রে আপনাকে মারাত্নক রেডিয়েশন এর সম্মুখীন করে না এবং একজন ডেন্টিস্ট কে আপনার দাঁত ও মাড়ি কতটুকু সুস্থ তা বুঝতে সাহায্য করে।  তাই আপনার নিজের প্রয়োজনে ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ অনুযায়ী এক্স-রে করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিন।



সরাসরি ফোন করে সিরিয়াল নিশ্চিত করতে -

০১৭৮০৪০১০২৬


অথবা, অনলাইনে সিরিয়াল দিন -

জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার)
স্বর্গীয় সুরেশ চন্দ্র সাহা
জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক -এর প্রতিষ্ঠাতা
জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার)
শিবু চন্দ্র সাহা
ব্যবব্যবস্থাপনা পরিচালক
জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার)

জে ডি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্লিনিক (জে ডি প্যাথলজি সেন্টার) যাত্রার প্রারম্ভকাল থেকেই সঠিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে।

শনিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
রবিবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
সোমবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
মঙ্গলবার :- সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা
শুক্রবার :- সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা
ইমার্জেন্সি :- ২৪ ঘন্টা সেবা